ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা’র তথ্য খুঁজে পাওয়া’র জন্য, নিরাপওা ব্যবস্হা জোরদার করা’র জন্য – সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরা আনুষ্ঠানি’কভাবে ১৯৪২ ইংরেজি সালে – জার্মানিতে, যা ভ্যাল্টার ব্রুচ (Walter Bruch) ডিজাইন করেছিলেন, এর পূর্বেে ১৯২৭ ইংরেজি সালে লিওন থেরেমিন প্রথম যান্ত্রিক সিসিটিভি সিস্টেম তৈরি করেছিলেন – সর্বপরি সিসি ক্যামেরা আবিষ্কার হয়েছিলো মানুষ এর নিরাপত্তা’র জন্য – পর্যায়’ক্রমে সিসি ক্যামেরা আসে আমাদের বাংলাদেশ – যা ব্যবহার করতে এনে মানুষ শুরু করে দেয় অপ’ব্যবহার! যেমন – গোপন জায়গা’য় – সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে – নারী’দের নগ্ন ছবি ধারণ করা, কর্মচারী’কে ক্যামেরা’র আওতা’য় বসিয়ে লুকিয়ে কর্মচারী’র বউ এর সাথে প্রেম করা, বাসা’য় সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে – স্বামী বাসা’য় ঢুকছে কিনা তা দেখে ভিতর এর রুমে – অন্য পুরুষ এর সাথে পরকীয়া প্রেম করা সহ ভিন্ন রকম অপ’ব্যবহার, পরবর্তীতে – বাংলাদেশে স্যাটেলাইট আবিষ্কার হওয়াতে – বাংলাদেশে অবস্থান করা মানুষ’দ্বয় সার্বক্ষণিক কি করছে – তা স্যাটেলাইট হতে কনফার্ম করা যাচ্ছে, সিসি ক্যামেরা’র পেছনে থাকা অপ’কর্ম’কারী’রা – কিভাবে অপরাধ করছে তা খুঁজে বের করে আনছে স্যাটেলাইট – উন্মোচন হচ্ছে – সিসি ক্যামেরা অপ’ব্যবহার’কারী’র আসল চরিত্র – যা Press24-pressinhhouse24 এর গবেষণায় প্রকাশ পায়, আমি বাংলাদেশ এর ন্যূনতম ০১ জন গণমাধ্যম কর্মী – সংবাদপত্র এর কাজে আমাকে যেতে হবে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি অফিসে, একবার এক সরকারি অফিসে তথ্যের জন্য যাওয়াতে – উক্ত অফিস এর সরকারি কর্মকর্তা – আমাকে তথ্য না দিয়ে – উল্টো আমাকে হেনস্তা করা’র অপ’চেষ্টা করল সিসি ক্যামেরা’র সামনে – কারণ তিনি দেখেছে – আমি গণপরিববনে তাঁর অফিস এর সামনে নেমেছি এবং পায়ে হেঁটে তাঁর অফিসে ঢুকেছি – পরবর্তীতে উক্ত অদক্ষ কর্মকর্তা আমাকে বলছে – আপনি একজন সাংবাদিক আপনি গাড়ি নিয়ে আসতে পারেন না? আমি তাঁর সাথে কথা না বাড়িয়ে – পত্রিকা’য় তাঁর অপকর্ম নিয়ে প্রতিবেদন দেয়া’র পরবর্তীতে – তৎ’কালীন সরকার তাকে শোকজ করে, যা হোক গাড়ি’র প্রসঙ্গে আসি – ব্যক্তিগত’ভাবে আমার কখনো নিজস্ব গাড়ি ছিলো না ও গাড়ির প্রতি এত মোহ ছিল না – স্কুল পালানো’র অভ্যাস ছিল প্রচন্ড – কলেজ জীবনে দাঙ্গা হাঙ্গামা’তো বাঁধিয়ে রাখতাম – কিন্তু প্রতিদিন এর পড়াশোনা প্রতিদিন শেষ করতাম – ছাত্র অবস্থায় প্রেম করে বিয়ে করে – জীবন যুদ্ধে সংবাদপত্রে আমার ঠাঁই হয় – সংবাদপত্র এর কাজ শেষ করা’র পরবর্তীতে – তখন বাংলাদেশে নতুন আসা facebook কে লেখা শুরু করলাম, প্রায় দশ বছর লেখা’র পরবর্তীতে – ফেসবুক এর জনক – Mark Zuckerberg (CEO Of Meta) – আমাকে একটি Newspaper Facebook পেজ দেয় – যা The daily recovery bangladesh নামে চলছে – সারা বিশ্বে, আমি আর না থেমে অক্লান্ত পরিশ্রম শুরু করলাম মাঠ পর্যায়ে – ভালো রিপোর্ট দেয়া’র চেষ্টা করলাম The daily recovery bangladesh সংবাদপত্রে, বিগত তিন বছর পূর্বে মেসেঞ্জারে আমাকে নক করলো – SIR Mark Zuckerberg – তিনি ওনার ভিডিও বার্তা’য় আমাকে জানালেন – প্রিয় কাউসার তোমাকে স্বাগতম – Meta’তে সার্বক্ষণিক থাকা’র জন্য ও বিশ্বের সংবাদপত্র এর পাঠক’দের কাছে তোমার রিপোর্ট পৌঁছে দেয়া’র জন্য – যাহোক আমি সারা বিশ্ব থেকে ২০০ জন সাংবাদিক নির্বাচিত করেছি ও তাদের পুরস্কৃত করেছি – এর মধ্যে তুমিও একজন – আর তোমার এই পুরস্কার হিসেবে তুমি পেয়েছো টেসলা গাড়ি – আমরা গাড়িটি ফিডেক্সে পাঠাবো – কোথায় পাঠাবো? আমার প্রথমে বিশ্বাস হচ্ছিল না! মনে মনে ভাবলাম – আমিও একজন সাংবাদিক – চামচিকা’ও পাখি? আমি অন্য কাজে মনোনিবেশ করলাম, পরবর্তী – তিনি আমাকে আবার নক করেন – তুমি আমাকে তাড়াতাড়ি জানাও বাংলাদেশ এর ফিডেক্স এর কোন সেন্টার থেকে তুমি টেসলা গাড়ী ডেলিভারি নিবে, আমি ওনাকে জানালাম ও ফেসবুকে তা শেয়ার করলাম আনন্দে, উক্ত শেয়ার এর পরবর্তীতে – আমার টেসলা গাড়ি বাংলাদেশে ঢুকা’র – প্রধান বাঁধা হয়ে দাঁড়ালো – তৎ’কালীন হাসিনা সরকার, তিনি Meta কর্তৃপক্ষকে বুঝানো’র অপচেষ্টা করলো ও ও বলল – তিনি এদেশে টেসলা গাড়ি ঢুকতে দিবে না – হাসিনা সরকার ও আমেরিকার মধ্যে বিরোধ শুরু হলো তা নিয়ে – যার রেজাল্ট পরবর্তীতে পরিষ্কার – হাসিনা’র গোড়ামি’র জন্য হাসিনা দেশ’পালালো – স্যার মার্ক জুকারবার্গ – আমাকে পরবর্তীতে আবারও নক করলো – গাড়ি’র মডেল এর ছবি ও টোকেন নাম্বার দিয়ে বলল – তোমার সরকার তোমার পুরষ্কার তোমার দেশে ঢুকতে দেবে না – তাই বলে আমি মেধা’কে হেয় করি না – তোমার পুরষ্কার রয়ে গেলো Meta কর্তৃপক্ষ এর কাছে – তুমি USA এসে নিয়ে যেও – আমি ওনাকে বললাম আমার ফুফু ও নানা’র বাড়ি’র অনেকে USA থাকে – আমি যদি তাদের মাধ্যমে নাও আসতে পারি – চেষ্টা করব জার্নালিজম্ ভিসা’য় এসে – আপনার সাথে দেখা করতে – তিনি সম্মতি জানিয়েছেন, তিনি এ’ও জানিয়েছে – ডাইভার’বিহীন সফটওয়্যারে চালিত – উক্ত টেসলা গাড়ি’র মূল্য – বাংলাদেশী টাকা’য় – ৪ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা (আনুমানিক), টেসলা’য় এখন’ও বসতে পারিনি বিধায় – লিখা থামিয়ে দেই নি – অজস্র সেলুট – স্যার মার্ক জুকারবার্গ এর প্রতি – কারণ তিনি হাসিনা সরকার কে চিনিয়েছিলেন যে তিনি কে, আজ বাংলাদেশে – ফেসবুক আছে – আমি আছি – কিন্তু হাসিনা সরকার নেই? দূষ্কৃত’কারী’রা ভুলে যাবেন না – ‘কলম’ কারো’র কাছে মাথা নত করে না।
