এক’জন নোবেল’বিজয়ী’র পক্ষে – সম্ভব – বিশ্বের ধনী দেশ’সমূহ এর তালিকা’য় – বাংলাদেশ’কে নিয়ে যেতে –
নোবেল পুরস্কার ১৯০১ ইংরেজি সালে প্রবর্তিত একটি আন্তর্জাতিক
পুরস্কার – যা ঐ বছর হতে সারা পৃথিবী’র বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এর সফল ও অনন্য সাধারণ
গবেষণা ও
উদ্ভাবন বা মানব’কল্যাণ’মূলক কর্মকাণ্ড এর জন্য প্রদান করা হচ্ছে – মূল নোবেল পুরষ্কার পাঁচ বিষয়ে দিচ্ছে –
পদার্থবিজ্ঞান,
রসায়ন,
চিকিৎসা শাস্ত্র,
সাহিত্য, ও
শান্তি, যা নোবেল এর উইলে উল্লেখ করা হয়েছে – সুয়েডীয় বিজ্ঞানী –
আলফ্রেড নোবেল এর ১৮৯৫ ইংরেজি সালে করে যাওয়া একটি উইল এর মর্মানুসারে – নোবেল পুরস্কার প্রচলন করা হয়েছে – আলফ্রেড নোবেল এর স্মরণে ১৯৬৮ ইংরেজি সালে সুইডেন এর কেন্দ্রীয় ব্যাংক – সেভেরিগেস রিক্সব্যাঙ্ক কর্তৃক অর্থনৈতিক বিজ্ঞানে –
নোবেল স্মারক পুরষ্কার নামে ষষ্ঠ পুরস্কার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে – নোবেল পুরস্কার ১৯০১ ইংরেজি সালে প্রবর্তিত হলেও অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার প্রদান শুরু হয় ১৯৬৯ সালে – উক্ত সাল হতে আজ পর্যন্ত – বাংলাদেশ এর বহু মানুষ ছিলো ও আছে পৃথিবীতে – নোবেল প্রাইজ এর কর্তৃপক্ষের বিচক্ষণতা’য় – ২০০৬ ইংরেজি সালে গ্রামীণ ব্যাংক এর মাধ্যমে
ক্ষুদ্রঋণ ও ক্ষুদ্র’বিত্ত ধারণা’প্রেরণা’র জন্য ওনার – প্রতিষ্ঠিত
গ্রামীণ ব্যাংক এর সাথে যৌথ’ভাবে
নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছে, পরবর্তীতে – তিনি ২০০৯ ইংরেজি সালে যুক্তরাষ্ট্র এর –
প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম ও ২০১০ ইংরেজি সালে,
কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল সহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মাননা’য় ভূষিত হয়েছেন – তিনি সাত’জন ব্যক্তি’দের এক’জন – যারা নোবেল শান্তি পুরস্কার,
যুক্তরাষ্ট্র এর – প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম এবং কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল পেয়েছেন – কিন্তু ভাগ্য’র কি নির্মম পরিহাস – বিগত আওয়ামী লীগ সরকার – ওনাকে অব’মূল্যায়ন করা’র – অপচেষ্টা করেছে – হয়রানী’মূলক মামলা’হামলা দিয়ে, আমার মনে হচ্ছে – ইউনূস সাহেব নোবেল পুরষ্কারে ভূষিত না হয়ে যদি – সেরা মাফিয়া’র ব্যক্তি’ত্ব হতো – তাহলে হয়তো – ওনার প্রতি বিরুপ আচরন করা’র সাহস – উক্ত স্বৈরাচার সরকার পেতো না! কিন্তু বাঙ্গালি বীর এর জাতি – সংগ্রাম এর মাধ্যমে – বাঙ্গালি জাতি’র জন্ম – সেটা প্রমান করেছে – বাঙ্গালি’দ্বয়, এর ধারাবাহিতা’য় বাংলাদেশী’রা – স্বৈরাচার সরকার হটিয়ে – বাংলাদেশ এর ইতিহাসে আরেক’টি – অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন এর জন্য – ড.
মুহাম্মদ ইউনূস‘কে – বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানিয়ে – ০৫’ই আগস্ট ২০২৪ ইংরেজি সালে – অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা’র পরবর্তীতে – ড.
মুহাম্মদ ইউনূস‘কে – বাংলাদেশ এর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এর – প্রধান উপদেষ্টা বানিয়ে – বাংলাদেশ এর উন্নয়নে সুযোগ করে দেয়, পরবর্তীতে – অনেক সুনাম অর্জন করেছে বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে, কিন্তু – গণতন্ত্র এর সম্মান জানিয়ে – তিনি আগামী – ১২-০২-২০২৬ ইংরেজি তারিখে – আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এর তারিখ ঘোষনা করেছে –
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এর তারিখ নির্ধারন হওয়া’র পরবর্তীতে – আমি এদেশ এর টপ টু বটম পর্যায়ে – সামনের বাংলাদেশ নিয়ে মানুষ’দের – মন এর অজানা কথা শুনেছি – অনেকে বলেছে – আন্তর্জাতিক পর্যায়ে টিকে থাকতে হলে, বাংলাদেশ’কে ধনী রাষ্ট্রে পরিণত করতে, বাংলাদেশ এর মানুষ’দের শান্তিতে রাখতে, বাংলাদেশ এর উন্নয়ন এর জন্য, বাংলাদেশ এর সার্বিক উন্নয়ন এর জন্য ও বিশ্বের ধনী দেশ’সমূহ এর তালিকা’য় – বাংলাদেশ’কে নিয়ে যেতে – এক’জন নোবেল’বিজয়ী – ড.
মুহাম্মদ ইউনূস এর পক্ষে – সম্ভব, সে’জন্য – বাংলাদেশ এর নাগরিক’দ্বয় চাচ্ছে – আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা সরকার গঠন করুক – বাংলাদেশ এর পরবর্তী – মহামান্য রাষ্ট্রপতি পদবী – যেনো – ড.
মুহাম্মদ ইউনূস সাহেব’কে দেয়া হয় – বাংলাদেশ এর সার্বিক উন্নয়ন এর জন্য।